ফেসবুক আমাকে কিভাবে চেঞ্জ করে দিল

“আমার কাছে এই ফেসবুক প্রোফাইল বিশাল একটা স্যাম্পল স্পেস। আমি অনেক মানুষকে একসাথে পেয়ে যাই এখানে। তারা কীভাবে চিন্তা করে, তারা কীভাবে কথা বলে, ইন্ডিভিজুয়াল লাইফ নিয়ে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি কী, কমিউনিটির প্রতি তাদের বিহেভ কেমন, কন্টেম্পোরারি বিষয়ের প্রতি তাদের রেস্পন্স কী ধরণের – সব কিছু দূরে থেকে দেখতে পাওয়া যায়। দ্রুত জাজ না করে আমি তাদের আচরণের কারণ খুঁজতে চেষ্টা করি। কেন? – এই প্রশ্নটা আমার জীবনের সবচে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এসবের মাধ্যমে আমি প্রতিনিয়ত শিখি। ফেসবুকের কোন মানুষ একটা কথা বলল, আমার কাছে জিনিসটা ভুল মনে হইল – আমি ওখান থেকে শিখি যে কী বলতে হবে আর কী বলতে হবে না। কীভাবে আমি চিন্তা করি আর কীভাবে করা উচিত। প্রতিনিয়ত আমি শিখতেসি এইভাবে করে। সত্যি বলতে গত কয়েক বছর ইন্সটিটিউশনালি যতটুকু শিখছি – তার থেকে অনেক বেশি শিখছি মানুষের কাছ থেকে। হিউম্যান্স – অলওয়েজ এট্রাক্টেড মি। মানুষের থেকেই অনেক কিছু শিখতে পারা যায়। ছোটবেলা থেকেই খাওয়ার টেবিলে বসে আব্বুর সাথে গল্প করতাম : পলিটিক্স, কালচার, রিলিজিওন বিভিন্ন বিষয়ে আমি তর্ক করতাম। আব্বু তখন বলত যে এখন তোমার বলার বয়স না শোনার বয়স। মানুষের কথা শোনা, তাদের গল্প গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা এবং সেগুলো থেকে শেখা আমাকে হেল্প করছে বেটার ভার্সন অফ মাইসেল্ফ হয়ে উঠতে। বাট তারপরো মাঝে মাঝে ইনটলারেন্ট হয়ে মন্তব্য করে ফেলি। একজন এচিভার সে বোস্ট অফ করতেসে – এটা নিয়ে মন্তব্য না করে আমার শেখা উচিত যে কোনকিছু এচিভ করে ফেললে বিনয়ি হতে হবে। আমার এটা রিয়েলাইজ করতে হবে যে নলেজিবল হওয়া আর ওয়াইজ হওয়ার মধ্যে বিনয়ের একটা সূক্ষ্ম পার্থক্য আছে। ওয়াইজ হতে হলে তাকে বিনয়ি হতেই হবে। এই ছোট ছোট লার্নিং গুলি আমাকে টলারেন্ট হয়ে উঠতে হেল্প করবে। আমার কাছে এডুকেটেড হওয়া মানে মোর রেশনাল, মোর টলারেন্ট হয়ে ওঠা।

( হাউ ফেসবুক ইনফ্লুয়েন্সড মাই লাইফ )”

– সাফির আবদুল্লাহ, ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ছেন, অনলাইনে নিয়মিত লেখালেখি করেন।

#ThinkTwice_ActWise

0 replies

Leave a Reply

Want to join the discussion?
Feel free to contribute!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *