Collateral Damage

Jakir is standing in an underground tube station in London, England.  He is a twenty-five-year-old Iranian immigrant. He came to England when he was five.  He liked his country. But his parents left Iran because they were not safe after the regime change. At first, Jakir liked England. But then the bullying started after 9/11. His friends would say that Jakir is a terrorist. He needs to be jailed. The ridicule didn’t stop at school. This happened in shops, theaters, restaurants etc. Soon, he came in touch with Golamvai in the Masjid. He inspired Jakir to take revenge for the atrocities against Muslim brothers. That’s why Jakir is standing in this tube station with a detonator in hand. There’s a bomb vest strapped to his body. All he has to do is detonate the bomb and then he’ll go to Jannat. Jakir was about to detonate the bomb when he saw a mother coming down from the train with little twins. The twins were playing and the mother had a genuine smile on her face. Golamvai always said that collateral damage is inevitable to win the war. But if winning requires killing these two kids, then Jakir doesn’t want to win. Jakir smiles at the kids and goes home!

CIA station chief in Islamabad is commanding an important mission.

-“Chief, we have visual.”

Chief: “That is Ali? We’re sure?”

-“Positive.”

-“Then take the shot!”

-“Yes, sir. Locking target.”

-“Wait, who is standing with Ali?”

-“Ali was staying at his brother’s place. That is his brother with his family.”

-“Is his brother a terrorist?”

-“Not that we know of. But he is harboring a terrorist.”

-“What about the kids?”

-“Sir, to win the war, sometimes we have to accept collateral damage. You know it better than us.”

-“No, I’ve had deaths of enough kids on my conscience already. Victory against terrorism can’t possibly come from killing innocents! Do not take the shot!”

-“But we’ll lose Ali! It took forever to find him!”

-“If we kill innocents, what makes us better than terrorists? I’ll lose my job, but I’m still not allowing innocents to die anymore!”

Ali leaves, the kids live. The chief has a good night’s sleep after a long time!

If everyone understood the fact that every single life matters, we would live in a peaceful world!

 

By: Tanjim ul Islam

১৬ বছর ধরে দুস্থদের মাঝে ইফতার বিলায় সবুজবাগ বৌদ্ধ বিহার

ইফতারের পসরা সাজিয়ে বিহারের প্রধান ভিক্ষু বসে গেলেন। টেবিলে থরে থরে সাজানো ইফতারের প্যাকেট। আসরের আজান ভেসে আসছে পাশের কোনো মসজিদের মাইক থেকে। বিহারের গেট খুলে দেয়া হয়েছে আজানের খানিক আগেই। টোকেন হাতে নিয়ে দীর্ঘ সারি রোজাদার দুস্থ মুসল্লিদের। তবে তাদের বেশিরভাগই নারী।

সুনশান নীরবতা বিহারে। টোকেন দেখে এক এক করে বিতরণ শুরু হলো ইফতারের প্যাকেট। কোনো প্রকার হট্টগোল ছাড়াই মুহূর্তেই ফুরিয়ে গেল ইফতারের প্যাকেট। বাকি রইল না রোজাদার একজনও।

পবিত্র রমজানের দ্বিতীয় দিন সোমবার, কমলাপুর সবুজবাগ ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারের চিত্র এমনই। ধর্মীয় সম্প্রীতির এক অনন্য ময়দান এটি। ধর্ম নয়, সেখানে মানুষ-ই বড়। মানুষের সেবা দিয়েই যে ঈশ্বরের সেবা মেলে, তা এই বৌদ্ধ বিহার প্রতিষ্ঠা করে চলছে।

১৬ বছর ধরে রোজাদার দুস্থ মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ করে আসছে সবুজবাগ ধর্মরাজিক বৌদ্ধ বিহার। প্রতিদিন প্রায় পাঁচশ রোজাদার এখান থেকে ইফতার সংগ্রহ করেন।

৭০ বছর বয়সী রাহেলা বেগম। সবুজবাগেই বাসাবাড়িতে কাজ করেন। রাতে ঘুমান ফুটপাতে। গোটা রমজান মাসই এখান থেকে ইফতার সংগ্রহ করেন রাহেলা। এভাবে প্রায় ১১ বছর পার করেছেন তিনি।

রাহেলা বলেন, ‘হোটেল থাইক্যা ইফতার কেনার তো আর আমাগো সামর্থ নাই। বানানোর সামর্থও নাই। যহন থাইক্যা এনে থাহা শুরু করছি, তহন থাইক্যাই ইফতার পাই। ইফতারের জন্য বাড়তি চিন্তা নাই আমাগো।’

 

 

ইফতার নিতে আসা আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘যারা টাকার অভাবে ইফতার কিনতে পারে না, তাদের ঠিকানা এ বিহার। বৌদ্ধরা দিচ্ছে বলে ইফতার নেয়া যাবে না, আমরা এ নীতি মানি না। গরীবের জন্য এসব নিয়ম কাজে আসে না।’

ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারের সভাপতি সংঘনায়ন শুদ্ধানন্দ মহারেথ। ৮৬ বছর বয়সী এ ভিক্ষুর জীবন কাটছে মানুষের সেবায়। বিহারকে দুস্থদের ঠিকানায় রূপ দিয়েছেন তিনি।

ইফতার বিতরণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘১৬ বছর ধরে রোজাদার মুসলামানদের মাঝে আমরা ইফতার বিতরণের আয়োজন করছি। মুসলমানদের সংযমের মাস রমজান। তাদের কাছ থেকেও আমরা সংযম শিখি। সবার আগে মানুষ। পরে ধর্ম। সব ধর্মই সম্প্রীতির কথা বলে। এ সম্প্রীতি বজায় রাখলেই বিশ্ব শান্তিময় হবে।’

 

সৌজন্যে: https://www.jagonews24.com/

বিদ্যানন্দের ইফতার ও আমাদের সম্প্রীতি।

ঘুম থেকে উঠেই রেপুটেড অনলাইন নিউজপোর্টাল “পুর্ব-পশ্চিম” তে “রাজধানীতে এক টাকায় ইফতার সেহরি দিচ্ছে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন” এই শিরোনামে একটা নিউজ চোখে পড়লো। খবরটি পড়ে জানা গেল মূলত বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা কিশোর কুমারের উদ্যোগে চালু করা হয় এই ‘এক টাকায় আহার’ প্রকল্পটি। ঘরোয়া পরিবেশে স্বাস্থ্যসম্মতভাবে প্রস্তুত করা হয় এই খাবার। একঝাঁক স্বেচ্ছাসেবক এসব খাবার বিতরণ করেন রাজধানীর বিমানবন্দর, গাবতলী, মিরপুরের মাজার রোডে, কড়াইল বস্তি এলাকায় সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের মাঝে। দেশ ও ধরায় সব জায়গায় যখন ধর্মীয় দলাদলি, বাড়াবাড়ি, উগ্রতা চরমে তখন এই ধরনের নিউজ পরম আনন্দ দেয়, শান্তির যোগান দেয় আর আশা জাগায়।

আমি ব্যক্তিগত ভাবে খুব আশাবাদী মানুষ। আমি নিজেকে একজন অসাম্প্রদায়িক মুসলিম হিসেবে পরিচয় দেই এবং বিশ্বাস করি।আমি জানি ইসলামে সো কল্ড সাম্প্রদায়িকতার কোন স্থান নেই।আমাদের মাঝে ধর্মীয় উগ্রতার নামে যেসব অপব্যাখ্যা আছে তা আমি মহান আল্লাহ এর বর্ণীত নিচের লাইনটি বর্নানার মাধ্যমে উড়িয়ে দেই- “আল্লাহ নিষেধ করেন না ওই লোকদের সঙ্গে সদাচার ও ইনসাফপূর্ণ ব্যবহার করতে যারা তোমাদের সঙ্গে ধর্মকেন্দ্রিক যুদ্ধ করে নি এবং তোমাদের আবাসভূমি হতে তোমাদের বের করে দেয় নি। নিশ্চয় আল্লাহ ইনসাফকারীদের পছন্দ করেন।” {সূরা আল-মুমতাহিনা, আয়াত : ৮} ইসলাম কখনোই অন্য ধর্মকে ছোট করতে কিংবা অন্য মতাদর্শকে অশ্রদ্ধা করতে বলেনি বরং আল্লাহ তা‘আলা ঈমানের দাবিদার প্রতিটি মুসলিমকে নির্দেশ দিয়েছেন পরমতসহিঞ্চুতা ও পরধর্মের বা মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধা দেখাতে। আল্লাহ ইরশাদ করেন- “তারা আল্লাহ তা‘আলার বদলে যাদের ডাকে, তাদের তোমরা কখনো গালি দিয়ো না, নইলে তারাও শত্রুতার কারণে না জেনে আল্লাহ তা‘আলাকেও গালি দেবে, আমি প্রত্যেক জাতির কাছেই তাদের কার্যকলাপ সুশোভনীয় করে রেখেছি, অতঃপর সবাইকে একদিন তার মালিকের কাছে ফিরে যেতে হবে, তারপর তিনি তাদের বলে দেবেন, তারা দুনিয়ার জীবনে কে কী কাজ করে এসেছে’।” {সূরা আল আন‘আম, আয়াত : ১০৮} রোজা আমাদের শিক্ষা দেয় সংযমী হতে,সহিঞ্চু হতে আর অপরের দুঃখ বুঝতে। সারা দিন উপোষ করে যেমন না খেয়ে থাকা মানুষ এর কষ্ট বুঝার তাগিদ দেয় তেমনি অন্য ধর্মের লোকদের গালি দিলে কিংবা অশ্রদ্ধা করলে তাদের যে কষ্ট হয় নিজের ধর্মকেও অন্যধর্মের কেউ গালি দিলে একই কষ্ট হবে সেই শিক্ষাও এই রোজার মাধ্যমেই উপলব্ধি করতে হবে। যুগযুগ ধরে চলে আসা এ অঞ্চলে হিন্দু-মুসলিমের যে সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক তা যেন আমাদের উগ্রতা নষ্ট করে না দিতে পারে। এইসব কিশোর কুমারেরা ছিলো,আছে থাকবে। আমাদের ইসলামের মধ্যেও এমন শত লোক ছিলো, আছে এবং থাকার ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। রমযানে এই হউক আমাদের প্রতিজ্ঞা।

 

লেখক: মুহম্মদ আল ফাহাদ

ফেসবুক আমাকে কিভাবে চেঞ্জ করে দিল

“আমার কাছে এই ফেসবুক প্রোফাইল বিশাল একটা স্যাম্পল স্পেস। আমি অনেক মানুষকে একসাথে পেয়ে যাই এখানে। তারা কীভাবে চিন্তা করে, তারা কীভাবে কথা বলে, ইন্ডিভিজুয়াল লাইফ নিয়ে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি কী, কমিউনিটির প্রতি তাদের বিহেভ কেমন, কন্টেম্পোরারি বিষয়ের প্রতি তাদের রেস্পন্স কী ধরণের – সব কিছু দূরে থেকে দেখতে পাওয়া যায়। দ্রুত জাজ না করে আমি তাদের আচরণের কারণ খুঁজতে চেষ্টা করি। কেন? – এই প্রশ্নটা আমার জীবনের সবচে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এসবের মাধ্যমে আমি প্রতিনিয়ত শিখি। ফেসবুকের কোন মানুষ একটা কথা বলল, আমার কাছে জিনিসটা ভুল মনে হইল – আমি ওখান থেকে শিখি যে কী বলতে হবে আর কী বলতে হবে না। কীভাবে আমি চিন্তা করি আর কীভাবে করা উচিত। প্রতিনিয়ত আমি শিখতেসি এইভাবে করে। সত্যি বলতে গত কয়েক বছর ইন্সটিটিউশনালি যতটুকু শিখছি – তার থেকে অনেক বেশি শিখছি মানুষের কাছ থেকে। হিউম্যান্স – অলওয়েজ এট্রাক্টেড মি। মানুষের থেকেই অনেক কিছু শিখতে পারা যায়। ছোটবেলা থেকেই খাওয়ার টেবিলে বসে আব্বুর সাথে গল্প করতাম : পলিটিক্স, কালচার, রিলিজিওন বিভিন্ন বিষয়ে আমি তর্ক করতাম। আব্বু তখন বলত যে এখন তোমার বলার বয়স না শোনার বয়স। মানুষের কথা শোনা, তাদের গল্প গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা এবং সেগুলো থেকে শেখা আমাকে হেল্প করছে বেটার ভার্সন অফ মাইসেল্ফ হয়ে উঠতে। বাট তারপরো মাঝে মাঝে ইনটলারেন্ট হয়ে মন্তব্য করে ফেলি। একজন এচিভার সে বোস্ট অফ করতেসে – এটা নিয়ে মন্তব্য না করে আমার শেখা উচিত যে কোনকিছু এচিভ করে ফেললে বিনয়ি হতে হবে। আমার এটা রিয়েলাইজ করতে হবে যে নলেজিবল হওয়া আর ওয়াইজ হওয়ার মধ্যে বিনয়ের একটা সূক্ষ্ম পার্থক্য আছে। ওয়াইজ হতে হলে তাকে বিনয়ি হতেই হবে। এই ছোট ছোট লার্নিং গুলি আমাকে টলারেন্ট হয়ে উঠতে হেল্প করবে। আমার কাছে এডুকেটেড হওয়া মানে মোর রেশনাল, মোর টলারেন্ট হয়ে ওঠা।

( হাউ ফেসবুক ইনফ্লুয়েন্সড মাই লাইফ )”

– সাফির আবদুল্লাহ, ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ছেন, অনলাইনে নিয়মিত লেখালেখি করেন।

#ThinkTwice_ActWise